বন্ধ্যাত্ব এমন একটি শারীরিক অবস্থা, যেখানে দম্পতিদের গর্ভধারণে সমস্যা হয় এবং এটি নারী ও পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই দেখা দিতে পারে। পুরুষদের ক্ষেত্রে কম শুক্রাণু সংখ্যা, শুক্রাণুর চলাচলের দুর্বলতা বা হরমোনজনিত সমস্যা প্রজনন সক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। নারীদের ক্ষেত্রে ডিম্বস্ফোটনের সমস্যা, ফ্যালোপিয়ান টিউব বন্ধ থাকা, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা বয়সজনিত পরিবর্তনের কারণে বন্ধ্যাত্ব হতে পারে। কখনো কখনো জীবনযাপন, মানসিক চাপ বা অন্যান্য শারীরিক সমস্যাও এর পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে। এসব সমস্যা সম্পর্কে শুরুতেই সচেতন হয়ে সঠিক মূল্যায়ন ও পরীক্ষা করালে দম্পতিরা নিজেদের জন্য উপযোগী চিকিৎসা ও যত্ন গ্রহণ করতে পারেন এবং সুস্থ গর্ভধারণের পথে সঠিক চিকিৎসা পদ্ধতি বেছে নিতে পারেন।
বন্ধ্যাত্বজনিত সমস্যা
বন্ধ্যাত্ব বলতে বোঝায়, ৩৫ বছরের কম বয়সী নারীদের ক্ষেত্রে নিয়মিত অসুরক্ষিত যৌনসম্পর্কের পরও ১২ মাসের মধ্যে এবং ৩৫ বছরের বেশি বয়সী নারীদের ক্ষেত্রে ৬ মাসের মধ্যে গর্ভধারণ না হওয়া। বিশ্বব্যাপী প্রজননক্ষম বয়সের প্রতি ছয়জনের মধ্যে প্রায় একজন বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় আক্রান্ত হন। এর কারণ পুরুষজনিত, নারীজনিত অথবা কখনো কখনো অজানা হতে পারে।


