গর্ভধারণে কিছুটা সময় লাগা স্বাভাবিক। তবে দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও গর্ভধারণ না হলে, অথবা মাসিক চক্র ও প্রজননস্বাস্থ্যে কোনো সমস্যা থাকলে সময়মতো ফার্টিলিটি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
সাধারণভাবে, ৩৫ বছরের কম বয়সী নারীর ক্ষেত্রে ১২ মাস নিয়মিত ও অসুরক্ষিতভাবে চেষ্টা করার পরও গর্ভধারণ না হলে এবং ৩৫ বছর বা তার বেশি বয়সে ৬ মাস চেষ্টা করার পরও গর্ভধারণ না হলে ফার্টিলিটি মূল্যায়নের পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে অনিয়মিত মাসিক, PCOS, এন্ডোমেট্রিওসিস, ফ্যালোপিয়ান টিউবের সমস্যা, পূর্বে পেলভিক সার্জারি বা পুরুষের শুক্রাণু-সংক্রান্ত সমস্যা থাকলে এর আগেই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।
কখন পরামর্শ নেওয়া বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ?
- মাসিক অনিয়মিত বা দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে
- বারবার গর্ভপাতের ইতিহাস থাকলে
- তীব্র মাসিক ব্যথা বা এন্ডোমেট্রিওসিসের সন্দেহ থাকলে
- PCOS বা হরমোনজনিত সমস্যা থাকলে
- ফ্যালোপিয়ান টিউব বা জরায়ু-সংক্রান্ত সমস্যা জানা থাকলে
- পুরুষের শুক্রাণুর সংখ্যা বা গতিশীলতা নিয়ে সমস্যা থাকলে
- পূর্বে পেলভিক বা প্রজনন অঙ্গের কোনো অস্ত্রোপচার হয়ে থাকলে
সময়মতো পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা সম্ভাব্য কারণ শনাক্ত করতে এবং উপযুক্ত চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করতে সহায়তা করতে পারে। আপনার পরিস্থিতি অনুযায়ী সঠিক সময়ে ফার্টিলিটি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

